এশিয়ান বিচ গেমসে শুধু ৩০ জন ক্রীড়াবিদ ও ২৬ জন কর্মকর্তাই যাচ্ছেন না, বরং গেমসের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ম্যাচ পরিচালনা করতে যাচ্ছেন রেফারি ও টেকনিক্যাল অফিসিয়ালরাও। তাদেরই একজন স্বপন খান, যিনি বিচ কাবাডির ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। ২০১৪ সালে ফুকেট গেমসেও রেফারির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে সংগঠক হিসেবে কাবাডির সঙ্গে যুক্ত হওয়া স্বপন খান মনে করেন, এশিয়ান বিচ গেমসে বাংলাদেশি রেফারি থাকাটা বৈশ্বিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ কাবাডির শক্ত অবস্থানের স্বীকৃতি। তিনি কালবেলাকে বলেন, এটি ভবিষ্যৎ রেফারিদের পথ দেখানোর সুযোগ এনে দিয়েছে এবং তিনি এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে চান যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশিদের জন্য আরও বেশি সুযোগ আসে। রোববার দুপুরে তিনি ঢাকা থেকে চীনের উদ্দেশে রওনা দেন।
স্বপন খান ১৯৯৬ সালে মাতুয়াইল মিলন স্মৃতি সংসদ দিয়ে কাবাডি কর্মকাণ্ড শুরু করেন ও ওই বছরই ক্লাবটিকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে তোলেন। একই বছর রেফারির কোর্স শেষে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন নিয়মিত। তার ক্লাব পরবর্তীতে প্রিমিয়ার লিগেও উন্নীত হয়। এটি তার দ্বিতীয় এশিয়ান বিচ গেমস। এ ছাড়া ভারত ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। আসরে টেকনিক্যাল অফিসিয়াল হিসেবে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মনির হোসেনেরও, কিন্তু গত ২১ জানুয়ারি তিনি মারা যান।



