ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হবে। তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে ভবিষ্যতে জাতীয় বাজেটের অন্তত ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) একটি বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা চালু এবং গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবার স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির পরিধি আরও বাড়ানো হবে। এ ছাড়া জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরকারি উদ্যোগে স্কুলব্যাগ, ইউনিফর্ম ও জুতা সরবরাহের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।



