জীবনে সফল হতে কি শুধু তুখোড় মেধা বা ‘আইকিউ’ থাকলেই চলে? মনোবিজ্ঞানীরা কিন্তু একেবারে ভিন্ন কথা বলছেন! তাঁদের মতে, আপনি হয়তো দারুণ মেধাবী, কিন্তু মানুষের সঙ্গে ঠিকমতো মিশতে পারেন না। এর মানে হলো আপনার ‘ইকিউ’ বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইকিউ অনেক বেশি কিন্তু ইকিউ কম হলে সেই ব্যক্তি সমাজের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠতে পারেন!
গবেষণা বলছে, কর্মক্ষেত্রে সাফল্য, সামাজিক সম্পর্ক বা দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার জন্য আইকিউ-এর চেয়ে ইকিউ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, এই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা কেবল জন্মগত কোনো বিষয় নয়। যে কেউ চাইলে যেকোনো বয়সেই এটি শিখতে ও বাড়াতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা ইকিউ বাড়ানোর দারুণ কিছু কৌশল জানিয়েছেন। প্রথমত, নিজের ভেতরের অনুভূতিগুলোকে চেনা। আমরা অনেক সময় রাগের আড়ালে ভয় বা কষ্ট লুকিয়ে রাখি, সেগুলো বুঝতে হবে। দ্বিতীয়ত, অন্যের জায়গায় নিজেকে বসিয়ে তার অনুভূতি বোঝার বা সহানুভূতির চর্চা করা। আর সবচেয়ে জরুরি হলো, কেউ রেগে গেলে বা সমালোচনা করলে সঙ্গে সঙ্গে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে একটু সময় নেওয়া। এই ছোট্ট একটি ‘বিরতি’ আমাদের অনেক বড় ভুল-বোঝাবুঝি থেকে বাঁচাতে পারে। তাই বর্তমান যুগে শুধু জিনিয়াস হওয়াই শেষ কথা নয়, নিজের ও অন্যের আবেগকে বুঝতে পারাই হলো আসল বুদ্ধিমত্তা!



