বিবাহিত ও সন্তানের মা হয়েও প্রথমবারের মতো ‘মিস ইউএসএ’ মুকুট জিতে ইতিহাস গড়েছেন ৩১ বছর বয়সী জাস্টাস কেলি। একই সঙ্গে তিনি এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী বিজয়ী হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ‘মিস ইউএসএ-২০২৫’ বিজয়ী অড্রে অ্যাকার্ট তার মাথায় বিজয়ীর মুকুট পরিয়ে দেন।
কেলির এই জয়কে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ কয়েক বছর আগেও বিবাহিত নারী কিংবা সন্তানের মা হয়েছেন—এমন নারীদের ‘মিস ইউএসএ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তখন প্রতিযোগীদের বয়সসীমাও ছিল ১৮ থেকে ২৮ বছর।
২০২৩ সালে বিবাহিত নারী ও সন্তানের মা হওয়া প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। পরের বছর, ২০২৪ সালে, প্রতিযোগীদের বয়সসীমাও বাতিল করা হয়। সেই পরিবর্তনের পরই কেলির মতো নারীদের জন্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ আরও উন্মুক্ত হয়ে ওঠে।
ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা জাস্টাস কেলি আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীর মাথায় ২৪ নভেম্বর ‘মিস ইউনিভার্স-২০২৬’-এর মুকুট পরানোর কথা রয়েছে।
তবে ‘মিস ইউএসএ’ প্রতিযোগিতায় বিবাহিত নারীর অংশগ্রহণের ঘটনা একেবারে নতুন নয়। ১৯৫৭ সালে মেরি লিওনা গেজ নিজের বৈবাহিক অবস্থা ও দুই সন্তানের তথ্য গোপন করে ‘মিস ইউএসএ’ নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে তার কাছ থেকে সেই খেতাব কেড়ে নেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পর সেই ইতিহাসকে নতুনভাবে সামনে এনে বিবাহিত ও মা হয়েও মুকুট জিতে জাস্টাস কেলি প্রতিযোগিতাটিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।



