ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরু হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই। গ্রুপ পর্বে তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি। তিন ম্যাচে ছয় গোল করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৯ গোলের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সী মেসি এখন পর্যন্ত এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস ও হলান্ডের চেয়েও বেশি গোল করেছেন। ফিফার নতুন ‘পাওয়ার র্যাঙ্কিংস’-এ শীর্ষে রয়েছেন মেসি। ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যাটাকিং, সৃজনশীলতা ও ডিফেন্স—এই তিন বিভাগে ০ থেকে ১০-এর মধ্যে স্কোর দেওয়া হয়।
মেসির স্কোর অ্যাটাকিংয়ে ৮.৪৯, সৃজনশীলতায় ৬.৫৫ এবং ডিফেন্সে ৫.১৭। দুই নম্বরে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮.২৬, ৭.৩৭, ৪.৬২)। তিনে জার্মানির ডেনিজ উনদাভ (৭.৮৫, ৬.২০, ৪.৫৩)। ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র রয়েছেন ৬ নম্বরে। পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৭৪তম স্থানে (অ্যাটাকিং ৫.৮২, সৃজনশীলতা ৫.০৬, ডিফেন্স ৪.৭৭)। নেইমারের অবস্থান নির্দিষ্ট নয়, কারণ তিনি চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় নিয়মিত খেলেননি। গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন।
চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম চমক জার্মানির ডেনিজ উনদাভ। ইয়াজিদি ও কুর্দি বংশোদ্ভূত এই ফরোয়ার্ড তিন গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করেছেন। ইয়াজিদি শরণার্থী পরিবারের সন্তান উনদাভ তার সাফল্যে নিপীড়িত ইয়াজিদি সম্প্রদায়কে অনুপ্রেরণা দিতে চান। তিনি বলেন, ‘আমার পারফরম্যান্স যদি ইয়াজিদি তরুণদের অনুপ্রাণিত করে, সেটিই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’



