স্বকীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দেশীয় প্রকৌশল ব্যবহার করে দেশের প্রথম চন্দ্রাভিযানের জন্য নির্ধারিত মহাকাশযানের নির্মাণ, সংযোজন ও একত্রীকরণের (ইন্টিগ্রেশন) কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে তুরস্ক। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন দেশটির শিল্প ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মেহমেত ফাতিহ কাজির। আনুমানিক ৩.৫ টন ওজনের এই বিশেষ মহাকাশযানটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর এখন সিস্টেম-লেভেলের জটিল পরিবেশগত পরীক্ষার জন্য ‘টার্কিশ অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজে’ (TAI) পাঠানো হয়েছে।
প্রযুক্তি মন্ত্রী আরও জানান, স্বীয় উদ্ভাবিত ৮০০ এরও বেশি দেশীয় যন্ত্রাংশ ও হাইব্রিড প্রপালশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাঁদে অভিযান পরিচালনা করার এই উদ্যোগ তুরস্কের জন্য এক নতুন দিগন্ত নির্দেশ করে। এই ঐতিহাসিক অভিযানের সাফল্য অর্জিত হলে নিজ প্রযুক্তিতে চাঁদে সফল অভিযান চালানো বিশ্বের নবম দেশ এবং প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ ইতিহাসে নিজেদের নাম লেখাবে তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হবে। প্রায় দুই মাসের দীর্ঘ যাত্রা শেষে এটি চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে এবং পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ১০০ কিলোমিটার ওপরে একটি মেরু-বৃত্তাকার (পোলার সার্কুলার) কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ শুরু করবে।



