গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স (তড়কা রোগ) আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুর বিভাগ জুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গবাদিপশুর মাংস থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর পর বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা চিকিৎসার আওতায় এসেছেন। স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং রোগটির বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক অবনতি প্রতিরোধে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (IEDCR) একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল সুন্দরগঞ্জের প্রাদুর্ভাব এলাকা পরিদর্শন করেছে। তারা আক্রান্ত রোগীদের নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ জোরদার করেছেন। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, অসুস্থ পশুর মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং খাওয়ার পর অনেকের শরীরে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা আক্রান্ত পশুর রক্তের সংস্পর্শে বা মাংস থেকে মানুষে সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত পশু জবাই না করা, অসুস্থ পশুর মাংস স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ করে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা নিলে এই রোগ পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য হওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।



