বাংলাদেশ দলের এশিয়া কাপ স্কোয়াড ঘোষণার পর থেকেই উঠেছে নানা প্রশ্ন। বাদ পড়েছেন কয়েকজন আলোচিত ক্রিকেটার, আবার কেউ পাননি প্রত্যাশিত সুযোগ। তবে প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ স্পষ্ট করেছেন—কারও জন্যই জাতীয় দলের দরজা বন্ধ নয়। প্রত্যেক ক্রিকেটারকেই ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফেরার পথ তৈরি করতে হবে।
শান্ত ও নাহিদ রানার মতো ক্রিকেটাররা এখনো নির্বাচকদের পরিকল্পনায় আছেন। তবে আন্তর্জাতিক দলে জায়গা ধরে রাখতে হলে বিপিএল ও এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই হবে তাদের মূল চ্যালেঞ্জ। শান্তকে সরাসরিই জানানো হয়েছে দলে ফেরার জন্য কী করতে হবে।
প্রতিশ্রুতিশীল ওপেনার হিসেবে একসময় আশার সঞ্চার করেছিলেন নাইম শেখ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তার সেই সম্ভাবনা মাঠে দেখা যাচ্ছে না। গাজী আশরাফের ভাষায়, ‘নাইম কঠোর পরিশ্রম করেছে, আমরা ভেবেছিলাম সে জায়গা দখল করবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চ্যালেঞ্জ সামলাতে পারেনি। এখন তাকে আরও উন্নতি করতে হবে, আমরা সহযোগিতা করব।’ অর্থাৎ বোর্ড আস্থা হারায়নি, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত প্রমাণ করতে হবে নাইমকেই।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও এবার ১৬ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা হয়নি সৌম্য সরকারের। প্রায় এক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও ৮৯ ম্যাচ খেলার পরও তার ধারাবাহিকতার অভাবই নির্বাচকদের হতাশ করেছে। তারা মনে করেন, সৌম্য এখন তৃতীয় ওপেনার; ফিরতে হলে সামর্থ্যকে আরও ক্ষুরধার করতে হবে।
সব মিলিয়ে, শান্ত-নাহিদদের জন্য আত্মউপলব্ধি, নাইমের জন্য কঠোর পরিশ্রম আর সৌম্যের জন্য ধারাবাহিকতা—এই তিন বিষয়কেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নির্বাচকরা। ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হবে তাদের প্রকৃত পরীক্ষার মঞ্চ, সেখানেই প্রমাণ করতে হবে নিজেদের যোগ্যতা।



