ফলমূল ও সবজির উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু অনেকেই জানেন না, আমাদের রান্নাঘরে থাকা কিছু সাধারণ মসলাও হতে পারে দারুণ উপকারী। যেমন—আদা। এই ঝাঁজালো স্বাদের মসলা শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, প্রতিদিন অল্প পরিমাণে আদা খেলে শরীরে দেখা দেয় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন।
আদায় রয়েছে জিঞ্জারল, শোগাওল, জিঞ্জিবারিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আদাকে ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে। আধুনিক গবেষণাও এর উপকারিতা প্রমাণ করেছে।
আদার কার্যকর উপাদান ও তাদের উপকারিতা
জিঞ্জারল: বমিভাব ও বমি কমায়, প্রদাহ উপশম করে।
শোগাওল: প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধেও সহায়ক।
জিঞ্জিবারিন: হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।
এছাড়াও, আদা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
কীভাবে খাবেন আদা?
প্রতিদিন আদা কামড়ে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রায় ১.৫ সেন্টিমিটার আদা কেটে চা, স্মুদি বা রান্নায় ব্যবহার করুন। মূলত আদার রসই এর কার্যকরী উপাদান।
প্রতিদিন আদা খাওয়ার ৭ উপকারিতা
প্রদাহ কমায় – শরীরের যেকোনো প্রদাহ হ্রাসে কার্যকর।
বমিভাব দূর করে – অন্তঃসত্ত্বা নারী বা কেমোথেরাপিতে থাকা রোগীদের জন্য উপকারী।
মাংসপেশির ব্যথা কমায় – ব্যায়াম বা ক্লান্তির পর ব্যথা উপশমে সহায়ক।
হজমে সাহায্য করে – কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়।
ঋতুকালীন ব্যথা কমায় – মাসিকের সময় পেট ব্যথা হ্রাসে সাহায্য করে।
খারাপ কোলেস্টেরল কমায় – এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হ্রাস করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – সর্দি-কাশি বা ভাইরাস থেকে সেরে উঠতে সহায়ক।



