ষাটোর্ধ্ব হালিমা খাতুন তিন বছর বয়স থেকে লালন-পালন করছিলেন নাতনি মাইমুনাকে। কিডনি রোগে মায়ের মৃত্যুর পর পাঁচ বছর বয়সে তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করান এবং পরম স্নেহে বড় করে তোলেন। তবে একদিন বিকেলে এক মুহূর্তের অসাবধানতায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় মাইমুনা; যার ৪৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো হদিস মেলেনি।
হালিমা খাতুনের মতো বাংলাদেশে প্রায় ২,০০০ নিখোঁজ শিশুর পরিবারের কাছে প্রতিটি দিন কাটে এক অনন্ত অপেক্ষায়। সামান্য কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে নিখোঁজ হওয়া এই সন্তানদের সন্ধান পেতে স্বজনরা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করছেন, যা পরিবারগুলোর জীবনে এক বিভীষিকাময় শূন্যতা তৈরি করেছে।
সন্তানদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন ও সামাজিক সচেতনতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত উদ্ধারে সমন্বিত পদক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যেন কোনো পরিবারকে এমন দীর্ঘ অনুসন্ধানের মুখোমুখি হতে না হয়।



