দীর্ঘ ১৭ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়ে ইতিহাস গড়েছে টটেনহ্যাম হটস্পার। স্যান মামেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইউরোপা লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে বহুদিন পর ট্রফি তুলে ধরে লন্ডনের ক্লাবটি।
ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি আসে প্রথমার্ধের ৪২তম মিনিটে। ওয়েলস উইঙ্গার ব্রেনান জনসনের প্রথম শটটি ডিফেন্ডার লুক শ’য়ের গায়ে লেগে ফিরলেও, ফিরতি বল থেকে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় গোলকিপার আন্দ্রে ওনানাকে পরাস্ত করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। হয়লুন্ড, গারনাচো ও লুক শ বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও, টটেনহ্যামের রক্ষণভাগ এবং গোলকিপার গুইলিয়েলমো ভিকারিওর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে বিজয়ের আনন্দে ভেসে যায় সাদা জার্সিধারীরা।
এই শিরোপা টটেনহ্যামের জন্য একটি বিশেষ অধ্যায়ের সূচনা। ২০০৮ সালে লিগ কাপ জয়ের পর এটিই তাদের প্রথম বড় কোনো ট্রফি। মৌসুমের শুরুতেই কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগ্লু বলেছিলেন, তার দ্বিতীয় মৌসুমে তিনি সবসময় কিছু না কিছু জিতেন—এই জয় সেই কথার প্রমাণ।
অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য এটি ছিল হতাশার এক রাত। বলের দখল ও খেলায় আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও গোল আদায় করতে পারেনি তারা। কোচ রুবেন আমোরিমের জন্য এ হার নিঃসন্দেহে এক বড় ধাক্কা।
শিরোপা জয়ের উৎসবে ভাসতে থাকা টটেনহ্যাম এখন মৌসুমের শেষ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে ব্রাইটনের মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে, ইউনাইটেড তাদের শেষ ম্যাচে লড়বে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে। তবে তার আগেই ইউরোপা লিগের এই রাতটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকল টটেনহ্যামের ইতিহাসে—একটি শিরোপার, এক প্রত্যাবর্তনের গল্প হিসেবে।



