মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সুস্থতা, আত্ম-যত্ন এবং মানসিক স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “The Space Between Giving and Healing” শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালার সফল আয়োজন করেছে Living With Wellness। এই কর্মশালাটি পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) মাহমুদা মাহমুদা। তাঁর দক্ষ ও সংবেদনশীল পরিচালনায় কর্মশালাটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য এক অর্থবহ ও গভীর অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়। কর্মশালায় আত্ম-অনুসন্ধান, আত্ম-যত্ন, মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সংযোগ গড়ে তোলার জন্য একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। এখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পেশাগত চাপ, আবেগগত ক্লান্তি এবং ব্যক্তিগত সীমারেখা চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেগুলো মোকাবিলার কার্যকর কৌশল সম্পর্কে জানতে পারেন। আয়োজনটির মূল বার্তা ছিল—যারা নিয়মিতভাবে অন্যদের যত্ন ও সেবা প্রদান করেন, তাদেরও নিজের যত্ন নেওয়ার এবং সমর্থন পাওয়ার সমান অধিকার রয়েছে। কারণ দীর্ঘমেয়াদে নিজের সুস্থতা নিশ্চিত না করলে অন্যদের সেবা দেওয়া টেকসই হয় না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন 4M TV USA-এর এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার মো. আরিফুল ইসলাম। তাঁর উপস্থিতি ও উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য কর্মশালাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করেছে বলে আয়োজকরা জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং তাদের আত্ম-যত্নকে পেশাগত দায়িত্বের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেন। Living With Wellness-এর পক্ষ থেকে কর্মশালার সফল বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী, আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। আয়োজকদের মতে, নিজেদের সুস্থতার প্রতি যত্নবান হওয়াও অন্যদের যত্ন নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উপলব্ধিকে সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিষয়ক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে যাবে। ইতোমধ্যে তারা নিয়মিত সচেতনতামূলক সেশন, প্রশিক্ষণ ও কাউন্সেলিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, Living With Wellness একটি প্ল্যাটফর্ম, যা জনসাধারণকে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য, কাউন্সেলিং সেবা এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সমাজে মানসিক সুস্থতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য হলো—মানসিক স্বাস্থ্যকে একটি ইতিবাচক ও আলোচনাযোগ্য বিষয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা, যাতে কেউ দ্বিধাবোধ না করে সাহায্য চাইতে পারেন এবং পেশাদার সেবাদাতারাও নিজেদের যত্ন নিতে পারেন।



