প্রবাসের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম, সততা ও স্বপ্নকে পুঁজি করে সফলতার দৃষ্টান্ত গড়েছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা আনোয়ারুল হারুন হক। তাঁর প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্টটি ইতোমধ্যেই শহরের খাদ্যপ্রেমীদের নজর কাড়ছে বৈচিত্র্যময় হালাল খাবার, মানসম্মত পরিবেশ এবং আধুনিক উপস্থাপনার জন্য।
খাবারের গুণগত মান ও স্বাদের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি এমন একটি স্থান তৈরি করেছেন, যেখানে একসঙ্গে মিলেছে আড্ডা, আরামদায়ক পরিবেশ ও বিশ্বস্ত হালাল খাবারের নিশ্চয়তা। রেস্টুরেন্টটিতে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের হালাল কাবাব, জুসি বার্গার, ফ্রেশলি ব্রু করা চা ও কফি। বিশেষ করে তরুণদের কাছে এর বার্গার ও ফিউশন-স্টাইল টি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যও জায়গাটি সাজানো হয়েছে অত্যন্ত যত্ন নিয়ে। আধুনিক ইন্টেরিয়র, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় বসার ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জা ও প্রাণবন্ত আবহ রেস্টুরেন্টটিকে আরও প্রাণচঞ্চল করে তোলে।
প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—খাবারের উপকরণ নির্বাচন ও প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ। রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা, মানসম্মত কাঁচামাল ব্যবহার এবং গ্রাহকের আস্থা বজায় রাখার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সবসময় সচেতন।
রেস্টুরেন্টের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনাতেও রয়েছে আলাদা স্বাতন্ত্র্য। আধুনিক সাইনবোর্ড, নান্দনিক ডিজাইন ও পরিকল্পিত সাজসজ্জা সহজেই পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
উদ্যোক্তা আনোয়ারুল হারুন হক বলেন, “প্রবাসে থেকেও নিজের দেশের মূল্যবোধকে সঙ্গে রেখেই আমরা কাজ করছি। মানসম্মত হালাল খাবার ও আন্তরিক সেবা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা চাই, মানুষ এখানে এসে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাক এবং খাবারের স্বাদ মনে রাখুক।”
খাদ্যপ্রেমীদের মতে, নতুন স্বাদ, বিশ্বস্ত মান এবং একজন প্রবাসী বাংলাদেশির আন্তরিক উদ্যোগ—সব মিলিয়ে এই রেস্টুরেন্টটি খুব দ্রুতই স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতিতে একটি পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠছে।



