দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে দেশজুড়ে আবারও শুরু হয়েছে উন্নত প্রযুক্তির স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বিতরণ কার্যক্রম। যারা অনেক আগে ভোটার হয়েও কার্ড পাননি কিংবা যারা সম্প্রতি নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা পর্যায়ক্রমে এই সেবার আওতায় আসছেন। তবে এই বিতরণ প্রক্রিয়া সারাদেশে একযোগে না হয়ে এলাকাভিত্তিক ও ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটাররা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস এবং নির্ধারিত বিতরণ কেন্দ্র থেকে তাদের স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
ঘরে বসেই নিজের স্মার্ট কার্ডের বর্তমান অবস্থা বা স্ট্যাটাস জানার জন্য নির্বাচন কমিশন একটি সহজ এসএমএস (SMS) পদ্ধতি চালু করেছে। নাগরিকরা ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC <space> ১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি বার্তায় বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। উল্লেখ্য, যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ সংখ্যার, তাদের ক্ষেত্রে নম্বরের শুরুতে জন্মসাল যোগ করে ১৭ সংখ্যা পূর্ণ করতে হবে। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে এনআইডির অনলাইন কপি (PDF) সংগ্রহের সুযোগও রয়েছে।
স্মার্ট এনআইডি কার্ড ডিজিটাল নাগরিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি অপরিহার্য দলিল। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নাগরিকদের কোনো প্রকার গুজব বা ভুল তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র অফিশিয়াল ঘোষণা ও স্থানীয় নির্বাচন অফিসের নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কার্ড সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে এই কার্যক্রম পুনরায় পূর্ণোদ্যমে শুরু হওয়ায় দেশের কয়েক লাখ অপেক্ষমাণ নাগরিক উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।



