আয়নায় হঠাৎ একগুচ্ছ সাদা চুল দেখে কি চমকে উঠেছেন? বয়স কম হলেও আজকাল অনেকেই অকালপক্বতায় ভুগছেন। এই সমস্যা শুধু সৌন্দর্যেই নয়, আত্মবিশ্বাসেও আঘাত হানে। অনেকে চুল ঢাকতে তেল বা রঙ ব্যবহার করেন, তবে এসব রাসায়নিক উপাদান অনেক সময় উল্টো ক্ষতি করে। তাই ভেতর থেকে চুল সুস্থ রাখতে দরকার সঠিক খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে চুল পাকা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
১. সবুজ শাক-সবজি
পালং শাক, ব্রোকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদিতে রয়েছে আয়রন, ফোলেট, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন, যা চুলের গোড়া মজবুত করে ও রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। নিয়মিত খেলে চুল পাকার গতি ধীর হয়।
টিপস: প্রতিদিন অন্তত একবেলা সবুজ শাক-সবজি খাবারে রাখুন।
২. ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেটে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ, যা শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং মেলানিন উৎপাদন বাড়িয়ে চুল কালো রাখতে সাহায্য করে।
টিপস: সপ্তাহে ২-৩ বার অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।
৩. ডিম
ডিমে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ভিটামিন B12, যা চুলের গঠন শক্তিশালী রাখে। পুষ্টির ঘাটতির কারণে যে চুল পাকে, তা পূরণে কার্যকর ডিম।
টিপস: প্রতিদিন একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া ভালো।
৪. মসুর ডাল
ভিটামিন B9 ও আয়রনে সমৃদ্ধ মসুর ডাল চুলের গোড়া শক্ত করে এবং অকালপক্বতা প্রতিরোধ করে। এটি সহজপাচ্য ও সবার জন্য উপকারী।
টিপস: প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে বা স্যুপ হিসেবে খেতে পারেন।
৫. মাশরুম
মাশরুমে রয়েছে কপার নামক খনিজ, যা মেলানিন তৈরিতে সাহায্য করে। মেলানিন কম হলে চুল পাকা শুরু হয়। তাই নিয়মিত মাশরুম খেলে চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় থাকে।
টিপস: সালাদ, ভাজি বা ঝোলে মাশরুম যোগ করতে পারেন।
চুল পাকা শুধু বয়সের কারণে নয়—পুষ্টির অভাব, মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাপনও এর কারণ হতে পারে। তাই বাইরের যত্নের পাশাপাশি ভেতর থেকেও শরীরকে সঠিক পুষ্টি দেওয়া জরুরি। প্রতিদিন এই পাঁচটি খাবার ডায়েটে রাখলে চুল থাকবে স্বাস্থ্যকর, ঘন ও কালো।
সুস্থ চুল মানেই আত্মবিশ্বাসী আপনি!



