অস্ট্রেলিয়ায় চলমান টপ এন্ড টি–টোয়েন্টি সিরিজে টানা সংগ্রাম করেও জয় পেল না বাংলাদেশ ‘এ’। মেলবোর্নের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মেলবোর্ন স্টারস একাডেমির কাছে ৩ উইকেটে হেরে কার্যত শেষ হয়ে গেল সোহানদের সেমিফাইনাল আশা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম দিকে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম (১৯), জিসান আলম (১৩) ও আফিফ হোসেন ধ্রুব (০)। তবে চাপের সময় দলকে টেনে তোলেন সাইফ হাসান ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ৫০ বলে ৬৩ রানের জুটিতে ভর করে লড়াইয়ে ফেরে দল। সাইফ খেলেন ৩৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, আর সোহান করেন ২৭ বলে ৩৩ রান। শেষ দিকে ইয়াসির আলীর ১৭ বলে ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৮ উইকেটে ১৫৬ রান। মেলবোর্নের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন লেগস্পিনার হ্যামিশ ম্যাকেঞ্জি, তিনি ২১ রানে নেন ৩ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে মেলবোর্ন। ১২ ওভারে মাত্র ৮১ রান তুলতেই তারা হারায় ৫ উইকেট। রকিবুল হাসান ও হাসান মাহমুদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তখন ম্যাচের পাল্লা ছিল বাংলাদেশের দিকে। কিন্তু চোট নিয়েও ব্যাট করতে নেমে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন জন মার্লো। মাত্র ৩৮ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় খেলেন বিধ্বংসী ৬৩ রানের ইনিংস। ওপেনার স্যাম হার্পারও যোগ করেন ১৮ বলে ২৯ রান। শেষ পর্যন্ত ৪ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় মেলবোর্ন। বাংলাদেশের হয়ে রকিবুল ও হাসান মাহমুদ নেন ২টি করে উইকেট।
টুর্নামেন্টে এটি ছিল বাংলাদেশের পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় পরাজয়। মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা এখন অনেকটাই কঠিন সমীকরণের ওপর নির্ভর করছে। শুধু শেষ ম্যাচে জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে, প্রয়োজনে নেট রান রেটের জটিল হিসেবেও যেতে হবে। অথচ এই ম্যাচে জয় পেলে সব সমীকরণ সহজ হয়ে যেত। লড়াই করেও তাই শেষ হাসি হাসতে পারেনি বাংলাদেশ ‘এ’।



