মাত্র বিশের কোঠায় পা দিয়েই পিসিওএস (PCOS) এবং প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন দক্ষিণ এশীয় তরুণী প্রণীথা পাতিল। নিজের শারীরিক অবস্থা বুঝতে গিয়ে তিনি দেখেন, তার মতো রোগীদের স্বাস্থ্যগত তথ্যের অভাব রয়েছে এবং প্রচলিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা কেবল রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা দেয়, রোগ প্রতিরোধে কাজ করে না।
এই অভিজ্ঞতা থেকেই হার্ভার্ডে মাস্টার্স পড়ার সময় তার মাথায় আসে একটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার ভাবনা। নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি হার্ভার্ড ছেড়ে দেন। সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জোনাথন সোয়ার্ডলিন এবং চিফ মেডিকেল অফিসার ডক্টর মার্ক হাইম্যানের সাথে হাত মিলিয়ে শুরু করেন তাদের উদ্যোগ “ফাংশন” (Function)।
বিনিয়োগকারীদের রাজি করানো সহজ ছিল না, তবে তাদের স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি সফলভাবে সিরিজ-এ ফান্ডিং এনে দেয়। বর্তমানে “ফাংশন” মাত্র ৩৬৫ ডলারে ১৬০টিরও বেশি ল্যাব টেস্ট, অ্যাডভান্সড এমআরআই, সিটি ইমেজিং এবং এআই-চালিত স্বাস্থ্য তথ্য প্রদান করছে, যার সাধারণ বাজারমূল্য প্রায় ১৫,০০০ ডলার।
বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২.৫ বিলিয়ন ডলার। প্রণীথার মতে, আপনি যদি মনে করেন কোনো ধারণা বিশ্বে থাকা উচিত, তবে দ্বিধা না করে এখনই শুরু করে দিন। স্বাস্থ্যসেবা খাত অন্যান্য শিল্পের চেয়ে অনেক পিছিয়ে, তাই এখানে নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ সবচেয়ে বেশি।



