দেশে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরণের কার্ডের সমন্বয়হীনতা দূর করতে এবং নাগরিকদের সেবা সহজতর করতে একটি একক ও স্থায়ী পরিচয়পত্র চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বর্তমানে জন্মসনদ ও ১৮ বছর বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেওয়ার বিধান থাকলেও, এই নতুন ব্যবস্থা চালু হলে দেশের প্রতিটি নাগরিককে একটি একক পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। ফলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণকে আর বারবার একই তথ্য প্রদান করতে হবে না।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই একক সমন্বিত কার্ড চালু হলে ধাপে ধাপে অন্যান্য বিদ্যমান কার্ডের কার্যকারিতা আর থাকবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত সুবিধাবলি এক কার্ডেই পাওয়া যাবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিক সেবাকে একটি একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা, যদিও পুরো বিষয়টি বাস্তবায়নের রূপরেখা এখনো চূড়ান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, একাধিক কার্ড ব্যবহারের কারণে বিদ্যমান ব্যবস্থায় নানা ধরণের অনিয়ম ও সমন্বয়হীনতা দেখা দেয়। নতুন এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে নবজাতক শিশু থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি নাগরিক একটি একক ও স্থায়ী পরিচয়পত্র পাবেন। এর ফলে জালিয়াতি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি অন্য কোনো অতিরিক্ত কার্ডের প্রয়োজনীয়তা চিরতরে দূর হবে।



