রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক এবং তার পরিবারের তিন সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুই স্থানীয় সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে এক গা শিউরে ওঠা তথ্য। পুলিশ জানিয়েছে, মর্মান্তিক এই অপরাধ সংঘটিত করার আগে আসামিরা বাড়ির ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করে। এরপর হত্যাকাণ্ড চালিয়ে তারা ফ্রিজ থেকে খেজুর ও শসা বের করে খায় এবং আরামে গোসলও সারে। ঘটনার নৃশংসতা বর্ণনা করতে গিয়ে রংপুরের ডিবি ডিসি সনাতন চক্রবর্তী সংবাদ সম্মেলনের সময় নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীরা প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ওই বাড়িতেই অবস্থান করেছিল। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের সূত্র ধরে আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। এই রোমহর্ষক ঘটনার পর নিহতের ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশি তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।



