ব্যবসা ও ভ্রমণ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই ভিসা পাওয়ার পর নির্ধারিত বন্ড কীভাবে পরিশোধ করতে হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দূতাবাস জানায়, ভিসা অনুমোদনের পর ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা বন্ডের অর্থ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
দূতাবাসের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর নির্ধারিত সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে না যাওয়ার ঝুঁকি কমাতেই এই ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারির সিদ্ধান্তে নতুন করে বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে। ভিসা বন্ড পরিশোধের পর ভ্রমণ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে এলে এবং ভিসায় উল্লেখিত সব শর্ত—যেমন কোনো ধরনের কাজ না করা—মেনে চললে বন্ডের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দেওয়া হবে।
এর আগে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এই জামানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ আবেদনকারীর ঝুঁকি বিবেচনায় বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও বহির্গমনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তিনটি বিমানবন্দর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব বিমানবন্দর হলো নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভার্জিনিয়ার ডালাস বিমানবন্দর এবং বোস্টনের লোগান বিমানবন্দর।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশি ভ্রমণকারী ও ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন কিছু শর্ত যুক্ত হলেও, নিয়ম মেনে চললে বন্ডের অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।



