
আসন্ন বাংলা নববর্ষের আনন্দ শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে পৌঁছে দিতে ২০২৬ সালের বৈশাখী ভাতার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। এরই মধ্যে অনলাইনে বিল জমা দেওয়ার সুবিধা চালু হওয়ায় সময়মতো ভাতার টাকা পাওয়া নিয়ে কয়েক লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ দূর হয়েছে।
গত শুক্রবার ২৭ মার্চ মাউশির ইএমআইএস সেল সূত্রে জানা গেছে যে বৈশাখী ভাতার জন্য ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা ইএফটি বিল সাবমিট করার অপশনটি সফটওয়্যারে সক্রিয় করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুততার সাথে ভাতার বিল অনলাইনে দাখিল করতে পারবে। ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার মো. জহির উদ্দিন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিল জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো প্রকার কারিগরি জটিলতা ছাড়াই যাতে সবাই নির্ধারিত সময়ে অর্থ হাতে পান, সেটি নিশ্চিত করতেই মূলত এই আগাম প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
মাউশির এই দ্রুত উদ্যোগের ফলে উৎসব ভাতার প্রক্রিয়া এগোলেও মার্চ মাসের নিয়মিত বেতনের প্রস্তাব এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে যে গত বুধবার থেকে মার্চ মাসের বেতন বিল জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে যা আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত চলবে। সব বিল যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে মাউশির এই পদক্ষেপে সারা দেশের কয়েক লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। কারিগরি জটিলতা এড়িয়ে উৎসবের আগেই যাতে ভাতার টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছায়, সেদিকেই এখন বিশেষ নজর দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
