থাইল্যান্ডের রাজধানী Bangkok–এ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের ‘টিম ইংলোভয়েস’। বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের প্রায় এক হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই বৈশ্বিক আসরে দলটি স্বর্ণপদক, এমওয়াইএসও স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট পোস্টার অ্যাওয়ার্ড জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয় Thailand–এ, যেখানে মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের এক অনন্য মিলনমেলা দেখা যায়।
বৈশ্বিক অংশগ্রহণের নতুন রেকর্ড গড়ায় এই আয়োজনটি Malaysia Book of Records–এর স্বীকৃতিও লাভ করে, যা এর আন্তর্জাতিক গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করেছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী দলটি অংশ নেয় Bangladesh Young Scientists and Innovators Society–এর নেতৃত্বে। দলের সদস্য ছিলেন অর্ণব দত্ত (টিম লিডার), মাহবুব তাজ (টিম মেম্বার) এবং সাদিকুল ইসলাম (টিম মেন্টর)।
কম্পিউটিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং ডিজিটাল ইনোভেশন ক্যাটাগরিতে তাদের উপস্থাপিত প্রকল্পটি ছিল সময়োপযোগী ও ব্যতিক্রমধর্মী। আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ, বাস্তব সমস্যার সমাধানমুখী ধারণা এবং সুসংগঠিত উপস্থাপনার কারণে আন্তর্জাতিক বিচারকরা প্রকল্পটিকে উচ্চ মূল্যায়ন দেন। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এই উদ্ভাবনটি সীমিত সম্পদ ব্যবহার করেও কীভাবে বৈশ্বিক মানে পৌঁছানো সম্ভব, তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
টিম লিডার Arnab Dutta জানান, এই অর্জন প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণরা কোনো অংশে পিছিয়ে নেই; সঠিক সুযোগ ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাই বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। দলের সদস্য Mahbub Taj এবং মেন্টর Sadikul Islam–ও একইভাবে মনে করেন, সীমিত রিসোর্স থাকা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস, গবেষণাভিত্তিক চিন্তা এবং সৃজনশীল প্রচেষ্টাই তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
তারা মনে করেন, দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের এগিয়ে নিতে গবেষণা সহায়তা, ইনোভেশন ফান্ড এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। উপযুক্ত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতের প্রযুক্তি বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।



