মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশি যুবককে অবৈধভাবে আটকে রাখার দায়ে মিয়ানমারের দুই নাগরিকসহ মোট চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে দেশটির আদালত। এ ঘটনায় এক অভিযুক্তকে কারাদণ্ড এবং বাকি তিনজনকে জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) পেনাং রাজ্যের বুকিত মেরতাজম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রোশায়াতি রাদেলাহ–এর আদালতে অভিযুক্তরা দোষ স্বীকার করেন। আদালত মিয়ানমারের নাগরিক আলম শোবির (২১)-কে গ্রেফতারের দিন অর্থাৎ ১২ অক্টোবর থেকে গণনা করে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন। অপরদিকে মিয়ানমারের নাগরিক মোহাম্মদ রশিদ হুসাইন (৩৮) এবং মালয়েশিয়ার নাগরিক মোহাম্মদ আদিব শাআদুন জুবির (৩৩) ও এম. লুকমান সাওয়াপিট (৩৪)-কে ২ হাজার রিঙ্গিত করে জরিমানা করা হয়।
আদালতের নথি অনুযায়ী, চলতি মাসের ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জুরু শিল্পাঞ্চলের বিজি স্পিডি লন্ড্রি অটো সিটি এলাকায় ওই চারজন মিলে ৩৫ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি যুবককে অবৈধভাবে আটকে রাখেন।
এছাড়া আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে—যদি জরিমানা দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তিন অভিযুক্তকেও পাঁচ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার পেনাল কোডের ধারা ৩৪২ ও ধারা ৩৪-এর অধীনে অভিযোগ আনা হয়, যা অনুযায়ী দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ এক বছরের জেল বা ২ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, বিদেশি শ্রমিকদের প্রতি যেকোনো ধরনের অবৈধ আচরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় শাস্তি অনিবার্য।



