অন্তর্ভুক্তিমূলক মানসিক স্বাস্থ্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে অসামান্য অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন ওয়াইপিএফ (YPF) ফেলো ফর হেলথকেয়ার অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং ড. এম তাসদিক হাসান। বধির জনগোষ্ঠীর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর অগ্রণী গবেষণা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জার্নাল দ্য ল্যানসেট সাইকিয়াট্রি–তে প্রকাশিত ড. হাসানের গবেষণা বধিরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বিদ্যমান বৈষম্য ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছে। এই গবেষণার বৈশ্বিক প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে কানাডার মেন্টাল হেলথ কমিশন অব কানাডা একে বিশ্বের “Eight Great Ideas Changing Lives Worldwide” তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
ড. তাসদিক হাসান তাঁর উদ্ভাবনী উদ্যোগ মাইন্ডসাইনস (MindSigns) এবং “সাইনস অব ইমোশন (Signs of Emotion)” প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বধির জনগোষ্ঠীর জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন। সাইন ল্যাঙ্গুয়েজভিত্তিক, সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল এবং গবেষণানির্ভর এই উদ্যোগগুলো বধিরদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সহজ করছে।
সমতা ও অন্তর্ভুক্তির ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ড. হাসানের নেতৃত্ব ও গবেষণাকে অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বৈশ্বিক পর্যায়ে ওয়াইপিএফ ফেলোদের ইতিবাচক প্রভাবেরও প্রতিফলন।
বধিরদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ড. এম তাসদিক হাসানের কাজ প্রমাণ করছে—সঠিক গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি একসঙ্গে কাজ করলে বৈশ্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।



