বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্পোর্টস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সব অনিশ্চয়তার মাঝেও তিনি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফেরার আশাবাদী। ২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন সাকিব। তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে গেলেও জাতীয় দলের জার্সিতে প্রায় দুই বছর দূরে রয়েছেন। তবে তিনি স্বপ্ন দেখছেন ঘরের মাটিতে শেষবার জাতীয় দলের হয়ে খেলার। সাকিব সাক্ষাৎকারে বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে, তাই তিনি আশাবাদী। তামিম ইকবালের বিসিবির অন্তর্বর্তী সভাপতি হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাদের মধ্যে এখনো এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বিসিবির অস্থিরতা ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনাকে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেন। ফিরে তাকিয়ে সাকিব মনে করেন, অবসরের পর রাজনীতিতে আসা আরও ভালো হতো, তবে তিনি চেয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে শেষ প্রতিযোগিতা করতে। দেশে অস্থিরতার সময় ও সম্পদে হামলার ঘটনায় তিনি শকড ছিলেন এবং পরিবারের সমর্থনই বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। তিনি এখনো ফিট আছেন এবং দেশের মাটিতে খেলার স্বপ্ন দেখেন। তামিমের নেতৃত্বে আইসিসি ও বিসিসিআইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আশা করেন তিনি। আইপিএলের ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম ও টি-টোয়েন্টির দ্রুত পরিবর্তন নিয়েও মতামত দেন সাকিব। বাংলাদেশ ক্রিকেটের দীর্ঘ ট্রানজিশনের কারণ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব ও নেতৃত্বে অস্থিরতাকে দায়ী করেন তিনি। ক্রিকেটের পর কোচিং, ব্যবসা বা রাজনীতিকে বিকল্প হিসেবে দেখছেন, তবে ক্রিকেট প্রশাসনে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তরুণদের একক আইডল না ধরে একাধিক ক্রিকেটার থেকে দক্ষতা শেখার পরামর্শ দেন তিনি। শেষে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ সবকিছু ঠিক হবে এবং তাকে বাংলাদেশে ফিরতেই হবে।



