এই সমস্যা সমাধানে জীবনযাত্রার ইতিবাচক পরিবর্তন অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ বা ভিটামিন-ডি, ম্যাগনেশিয়াম ও অশ্বগন্ধার মতো ভেষজ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে হরমোনের মাত্রা অত্যন্ত কমে গেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ‘হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি’ প্রয়োজন হতে পারে। সুস্থ থাকতে পুরুষদের এই হরমোনজনিত সমস্যাগুলো নিয়ে সচেতন হওয়া এবং সময়মতো সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি।



