
লিচুর রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাবনায় গাছে গাছে এবার লিচুর সমারোহ। মৌসুমের শুরুতে প্রচুর মুকুল দেখে আশায় বুখ বেঁধেছিলেন চাষীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন ও ভাল লাভের আশা করছেন তারা। কিছুদিনের মধ্যে বাজার আসবে দেশী জাতের লিচু। আর ঈদের পর মিলবে বোম্বাইসহ অন্যান্য জাতের লিচু। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা কৃষি বিভাগের।
সবুজ পাতার ডালে ডালে দোল খাচ্ছে লাল টকটকে রসালো ফল লিচু। সেইসঙ্গে দোলা দিচ্ছে কৃষকের মনেও। কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে আসার অপেক্ষায় দেশী জাতের এই লিচু। আর সবুজ থাকা বোম্বাই, মোজাফফর সহ অন্যান্য জাতের লিচু মিলবে ঈদের পর। তাই পাবনার লিচু বাগানগুলো এখন লাল-সবুজে মাখামাখি।
চলতি মৌসুমের শুরুতে বাগানগুলোতে গাছে গাছে দেখা যায় প্রচুর মুকুল। তখন থেকেই আশায় বুক বাঁধেন চাষীরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তাই ফলনও হয়েছে অনেক ভাল। গেলো বছর আশানুরুল ফলন না পেলেও, এবছর ভাল দাম পাওয়া আশা তাদের।
লিচুচাষীরা জানান, এবছর মুকুল আসার পর থেকে তারা সেচ, সার, কীটনাশক প্রয়োগে গাছের যত্ন নিয়েছেন তারা। ফলন ভাল দেখে হাসি ফুটেছে তাদের মুখে। পাবনার লিচুর চাহিদা দেশজুড়ে। তাই গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে এবার লাভের মুখ দেখবেন বলে জানা চাষীরা।
আর এবছর পাবনা জেলায় লিচু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবার আশা করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, পাবনা।
জেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, পাবনায় এ বছর ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদের বিপরীতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্টিকটন। তবে ফলন ভাল হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্টিকটন হওয়ার আশা কৃষি বিভাগের।


