সেপ্টেম্বরে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে থাকছেন না দুই প্রবাসী ফুটবলার—লেস্টার সিটির মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী এবং কানাডার ক্যাভালরি এফসির সামিত সোম। তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব লেস্টার সিটির হয়ে খেলা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হামজা চৌধুরী বর্তমানে ক্লাবের প্রাক-মৌসুম ক্যাম্পে অংশ নিচ্ছেন। ক্লাবের প্রস্তুতি পর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় তিনি সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে, সামিত সোম ওই সময় নিজ ক্লাব ক্যাভালরি এফসির হয়ে লিগ ম্যাচে ব্যস্ত থাকবেন। ফলে তাকেও ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে।
জাতীয় দল কমিটির সদস্য সাঈদ হাসান কানন গণমাধ্যমকে বলেন, “হামজা ও সামিতের দুজনেরই ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততা রয়েছে, এ কারণে তারা আসতে পারছে না।” এই দুই অভিজ্ঞ ফুটবলারের না থাকা নিঃসন্দেহে দলের জন্য বড় ধাক্কা।
তবে বিকল্প খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ কোচিং স্টাফ। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া তরুণ ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলাম এবং জাতীয় দলের জার্সিতে এখনো অভিষেক না হওয়া প্রবাসী কিউবা মিচেল ক্যাম্পে জায়গা পেতে পারেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের ক্যাম্প কিংবা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের প্রস্তুতির সময়সূচি ঘোষণা করেনি। তবে হংকংয়ের বিপক্ষে আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গুঞ্জন উঠেছে, জাতীয় ও যুব দলের ব্যস্ত সূচিকে ঘিরে হাভিয়ের কাবরেরার স্থলে নতুন কোচ নিয়োগও হতে পারে।
সবমিলিয়ে হামজা ও সামিতের মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি কিছুটা হতাশাজনক হলেও নতুন মুখদের জন্য এটি হতে পারে নিজেকে প্রমাণ করার বড় সুযোগ। এখন দেখার বিষয়, বিকল্পরা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন এবং দল কতটা ভারসাম্যপূর্ণভাবে গঠন হয়।



