জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাঁকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি ২৫৫ ইউরো জরিমানা করেছে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ)। গত মাসে উয়েফা নেশন্স লিগ চলাকালে দলের কোচের সঙ্গে বিরোধের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন ক্রীড়ামাধ্যম ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া নিয়ে জাতীয় দলের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। দল ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কোচের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন এই তারকা। তাঁর দাবি, জেসুস তাঁকে দেওয়া কথা রাখেননি।
ফেডারেশনের ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিল জানিয়েছে, রোনালদো ইচ্ছাকৃতভাবে শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘন করেছেন। তবে ফেডারেশনের বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞাটি কোন কোন ম্যাচ বা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। একই সঙ্গে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইতোমধ্যে পার করা সময় ৩০ দিনের শাস্তির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
শাস্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে রোনালদো বলেছেন, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন যে শাস্তিই দিক, তিনি তা মেনে নেবেন। পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি। ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্ক ও ওয়েলসের বিপক্ষে পর্তুগালের দুটি ম্যাচে খেলার যোগ্যতা থাকবে তাঁর।
এদিকে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা রোনালদোকে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করছেন। কোচ জেসুসের সঙ্গে তাঁর বিরোধের অবসান হবে এবং তিনি আবারও জাতীয় দলে ফিরবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ফেডারেশন সভাপতি। রোনালদোর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “তিনি আমাদের অধিনায়ক। আমাদের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।”
সূত্র: ESPN



