রোহিঙ্গা সম্মেলনের প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বে আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয় রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বিশেষ অধিবেশন। এতে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, সংস্থার প্রতিনিধি এবং রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সদস্যরা।
সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় আশ্রয়ী হয়নি, বরং তাদের জোরপূর্বক আশ্রয়প্রার্থী বানানো হয়েছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কখনও টেকসই হবে না।
অন্যান্য নেতারা সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এবং ভবিষ্যতে কোনো ছায়াযুদ্ধ প্রতিরোধের স্বার্থে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে জরুরি বলে উল্লেখ করেন।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযানের পর হাজার হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমানে এ সংখ্যা কয়েক লাখ ছাড়িয়েছে। সেই ঘটনার আট বছর পূর্তি উপলক্ষে আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গারা পালন করছেন ‘রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস।’
সমাবেশে হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে রোহিঙ্গারা একটাই বার্তা দেন— তারা আর আশ্রিত থাকতে চান না, দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যেতে চান।



