২০২৬ সালের ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে হলে শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। সুস্থতা মানে কেবল রোগমুক্ত থাকা নয়, বরং জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। এর জন্য খুব কঠিন কোনো নিয়ম নয়, বরং সুষম খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান এবং মানসম্মত ঘুমের মতো সহজ অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফলমূল, শাকসবজি ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন করা জরুরি। এছাড়া শরীরের আর্দ্রতা ও হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পানের কোনো বিকল্প নেই।
শরীরকে সচল রাখতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম বা প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্ক্রিন টাইম কমিয়ে এবং নিয়মিত মেডিটেশন বা যোগব্যায়াম করে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দৈনিক ৭ থেকে ৯ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করাও স্মার্ট জীবনযাপনের অংশ।
নতুন বছরে সুস্থ থাকার জন্য একসঙ্গে সব অভ্যাস পরিবর্তনের চাপ না নিয়ে ছোট ছোট পদক্ষেপ দিয়ে শুরু করা ভালো। ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই ভবিষ্যতে একটি নিরোগ ও আনন্দময় জীবনের ভিত্তি তৈরি করে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখার মাধ্যমেই ২০২৬ সালে নিজেকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখা সম্ভব।



