বিশ্বখ্যাত হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হোস্টিং ডটকম (Hosting.com) বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য বাংলা ভাষায় কাস্টমার সেবা, স্থানীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের সুবিধা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত হোস্টিং সেবা নিশ্চিত করবে প্রতিষ্ঠানটি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোস্টিং ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সেব ডি লেমোস, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) পানোস কেসিসিস, চিফ প্রোডাক্ট অফিসার বেন গ্যাবলার, হেড অব ওয়েবসাইট অ্যান্ড কনটেন্ট ড্যাফনি মনরো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এ ছাড়া স্থানীয় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা ও আইটি ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশে হোস্টিং ডটকমের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সার্ভার অবকাঠামো, ক্লাউডভিত্তিক সেবা, এআই বট প্রযুক্তি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ডোমেইন ব্যবসাসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবাখাতে নতুন গতি আসবে। এতে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে, সেবার মান উন্নত হবে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে। একই সঙ্গে এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে।
হোস্টিং ডটকমের সিইও সেব ডি লেমোস বলেন, বাংলাদেশি গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া মূল্য ও প্যাকেজসংক্রান্ত মতামতকে তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন এবং শিগগিরই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি জানান, বর্তমানে হোস্টিং ডটকমের অবকাঠামোয় ৩০ লাখের বেশি সক্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে, প্রতি ১৫ সেকেন্ডে একটি নতুন ওয়েবসাইট যুক্ত হচ্ছে এবং বিশ্বের ২০টির বেশি ডাটা সেন্টার ও এক হাজারের বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত, স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করছে।
বাংলাদেশ অপারেশন ম্যানেজার ইমরান হোসেন বলেন, হোস্টিং ডটকমের বৈশ্বিক মানের হোস্টিং ও ডাটা অবকাঠামো বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং ডিজিটাল ব্যবসার জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রযুক্তি খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক ডিজিটাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



