মাত্র ক’দিন আগেই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন দিয়োগো জোতা। বিয়ে করেছিলেন তার ভালোবাসার মানুষকে, সামনে ছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি। কিন্তু এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা থামিয়ে দিল সবকিছু—থেমে গেল সেই স্বপ্ন, সেই হাসিমাখা মুখ। জোতা ও তার ভাই আন্দ্রে সিলভার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে পুরো ফুটবল বিশ্ব। এই শোক স্পর্শ করেছে পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও।
জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘদিন সতীর্থ ছিলেন জোতা ও রোনালদো। সেই সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন রোনালদো। তিনি লেখেন,
“এটা মেনে নেওয়া যায় না, ঠিক তখনই যখন তোমার জীবন নতুনভাবে শুরু হচ্ছিল। দিয়োগো সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “তোমার পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। এই দুঃসহ সময় পার করে ওঠার জন্য আমি তাদের জন্য অসীম শক্তি কামনা করছি।”
জোতার হঠাৎ মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে বইছে শোকের ঢেউ। ইউরোপের প্রায় সব ক্লাব, ফুটবলার এবং ফুটবলপ্রেমীরা তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন। জোতা ছিলেন শুধু একজন প্রতিভাবান ফুটবলার নয়, ছিলেন দলের প্রাণ, ড্রেসিংরুমের প্রাণবন্ত মুখ। সতীর্থ হোক কিংবা প্রতিপক্ষ—সবার কাছেই তিনি ছিলেন শ্রদ্ধেয়।
মাত্র ২৮ বছর বয়সেই থেমে গেল এই প্রতিভাবান ফুটবলারের জীবন। জাতীয় দলের হয়ে পর্তুগালের জার্সিতে এবং ক্লাব পর্যায়ে লিভারপুলের হয়ে তিনি যে স্মরণীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তার হাস্যোজ্জ্বল মুখ, মাঠে নিবেদিত মনোভাব এবং সতীর্থদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আজ শুধুই স্মৃতি।
জোতার এমন অপ্রত্যাশিত বিদায় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না রোনালদো। হয়তো ফুটবল দুনিয়াও পারছে না।



