বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ছিমছাম ও ঝরঝরে চেহারা পেতে কে না চান! আজকাল অনেকেই শরীর ফিট রাখতে ভোরে উঠে হাঁটছেন, কেউ নিয়ম করে জিমে যাচ্ছেন, আবার কেউ খাবারে এনেছেন নানা পরিবর্তন। তবে ব্যস্ত জীবনে সবার পক্ষে প্রতিদিন শরীরচর্চা করা সম্ভব হয় না। অফিস ও বাসার নানা দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে অনেকেরই ব্যায়াম করার সুযোগ মেলে না।
কিন্তু তাই বলে কি মেদ জমে থাকবে? একেবারেই না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ ঘরোয়া পানীয় আছে, যেগুলো রাতে ঘুমানোর আগে নিয়ম করে পান করলে ধীরে ধীরে ফ্যাট কমতে পারে এবং মেটাবলিজমও বাড়ে। এগুলো তৈরি করতে সময় লাগে না, আর প্রয়োজনীয় উপকরণও সাধারণত রান্নাঘরেই পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—এই পানীয়গুলো খাওয়ার জন্য জিমে যাওয়ার দরকার নেই, ব্যায়াম না করলেও চলবে। শুধু দরকার নিয়ম মেনে চলা আর ধৈর্য রাখা। যারা ব্যস্ততার কারণে শরীরচর্চা করতে পারেন না, তাদের জন্য এগুলো হতে পারে কার্যকর ও সহজ সমাধান।
চলুন, জেনে নেওয়া যাক সাতটি পানীয় সম্পর্কে, যেগুলো ঘুমানোর আগে পান করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে—
গরম পানিতে লেবুর রস – লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে।
লেবু-আদার চা – এক কাপ গরম পানিতে সামান্য আদা কুঁচি ও লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি এই পানীয় ফ্যাট কমানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চাইলে সামান্য চা-পাতাও দিতে পারেন।
দারুচিনি ভেজানো পানি – দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। রাতে গরম পানিতে দারুচিনি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করা উপকারী।
মেথি ভেজানো পানি – মেথি হজম শক্তি বাড়াতে সহায়ক। রাতে গরম পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে ঘুমানোর আগে বা সকালে সেই পানি পান করলে ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।
হলুদ দুধ – গরম দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়ে খেলে মেদ কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও কাজ করে।
আজোয়ান ফোটানো পানি – হজমে সহায়ক এই পানীয় ওজন কমাতেও কার্যকর। রাতের খাবার হজমে সমস্যা হলে এটি বিশেষভাবে উপকারী।
অ্যালোভেরা জুস – রাতে ঘুমানোর আগে অ্যালোভেরা জুস পান করলে অতিরিক্ত চর্বি কমানোর পাশাপাশি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ও চুলের সৌন্দর্য বাড়ায়।



