মানসিক প্রশান্তি ও স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ: তুলসী একটি প্রাকৃতিক ‘অ্যাডাপ্টোজেন’, যা শরীরকে মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। নিয়মিত তুলসী পানি পানে শরীরের কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, ফলে দুশ্চিন্তা কমে এবং মানসিক শান্তি বজায় থাকে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: তুলসী পাতায় থাকা ইউজেনল নামক উপাদান শরীরকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের হাত থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত এই পানি পান করলে ঋতু পরিবর্তনের সাধারণ সর্দি, কাশি ও ফ্লুর ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
শ্বাসতন্ত্রের সুরক্ষা: শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসের সমস্যায় তুলসী পানি অত্যন্ত কার্যকর। এটি ফুসফুসে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং হাঁপানি বা ব্রঙ্কাইটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যায় আরামদায়ক ভূমিকা পালন করে।
কিডনি ও লিভার ডিটক্স: তুলসী পানি প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করে দেয়। এটি লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ রাখে।
শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলসী পানি বেশ উপকারী, কারণ এটি ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া রক্তনালীর প্রদাহ কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও এটি সাহায্য করে।
প্রস্তুত প্রণালি:
রাতে শোবার আগে এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানিতে ৫-৬টি পরিষ্কার তুলসী পাতা হালকা ছিঁড়ে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে খালি পেটে পানিটুকু ছেঁকে পান করুন। নিয়মিত এই অভ্যাস আপনার সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।



