পূর্ণিমা দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে রোমান্টিক ও ‘মিষ্টি মেয়ে’ ইমেজের মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। তবে এবার সেই পরিচিত গণ্ডি ভেঙে ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করতে চান জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা। সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উপলক্ষে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো পর্দায় খলনায়িকা বা নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন।
নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করা পূর্ণিমা পরবর্তীতে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তবে প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে তাকে কখনো ভিলেন বা নেতিবাচক চরিত্রে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এমন একটি শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকদের কাছে তাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং যার প্রতি দর্শকের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে।
পূর্ণিমার মতে, দর্শক ও নির্মাতারা বরাবরই তাকে কোমল, রোমান্টিক ও ইতিবাচক চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত। তাই কেউ তাকে খলচরিত্রে কল্পনা করেননি। তিনি মনে করেন, নিজের অভিনয় দক্ষতার নতুন দিক তুলে ধরতে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে এবং সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণে তিনি প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে তুলনামূলকভাবে অনিয়মিত পূর্ণিমাকে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গেছে। এর আগে ২০২৩ সালে ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ওটিটিতে অভিষেক ঘটলেও এরপর নতুন কোনো প্রজেক্টে তাকে দেখা যায়নি। তাই ভক্তরা এখন অপেক্ষায় রয়েছেন, পূর্ণিমা সত্যিই কি ভিলেন চরিত্রে নতুন এক চমক নিয়ে পর্দায় ফিরবেন।



