অ্যামেরিকায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার মূল কারণ হিসেবে কঠোর ভিসা ও ইমিগ্রেশন নীতির প্রভাবকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্টাডি ভিসার নিয়মে দুটি বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন, যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিকল্পনাকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত দুই পরিবর্তনের একটি হলো ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ নিয়ম বাতিল করা এবং অন্যটি হলো স্থির সময়সীমাভিত্তিক ভর্তি নীতি (ফিক্সড পিরিয়ড অ্যাডমিশন) চালুর প্রস্তাব।
ডিগনিটি অ্যাক্ট ২০২৫-এর মাধ্যমে কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য ইতোমধ্যে ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ শর্তটি বাতিলের পরিকল্পনা করেছেন। বর্তমানে এফ-১ ভিসা প্রার্থীদের প্রমাণ করতে হয় যে তাঁরা পড়াশোনা শেষে আমেরিকা ত্যাগ করবেন এবং নিজ দেশে সম্পত্তি বা অন্যান্য সংস্থান রয়েছে। নতুন আইন পাস হলে এই বাধা দূর হবে এবং ‘ইন্টেন্ট টু লিভ’ প্রদর্শন করতে না পারার কারণে ভিসা নাকচ হওয়ার ঘটনা কমে আসবে। তবে পড়াশোনা শেষে যারা আমেরিকায় থাকতে চান, তাঁদের এখনও কর্মসংস্থানভিত্তিক বা অন্যান্য ভিসার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
অন্যদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট (ডিএইচএস) প্রস্তাব করেছে যে এফ, জে ও আই ধরনের ভিসার ক্ষেত্রে ‘ডিউরেশন অফ স্ট্যাটাস’ পদ্ধতি বাতিল করে নির্দিষ্ট সময়সীমার ভর্তি নীতি চালু করা হবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ‘ডিউরেশন অফ স্ট্যাটাস’ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। কিন্তু নতুন নিয়ম কার্যকর হলে নির্ধারিত সময় শেষ হলে শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে যেতে হবে, যা তাদের শিক্ষা পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।



