ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার বিষয়টি তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
সৌদি সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইরানে সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” সৌদি আরব সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, “এই মুহূর্তে উত্তেজনা কমিয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজা জরুরি। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে এসে শান্তিপূর্ণ সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমান তিনটি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এই অভিযানের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ বসেই তিনি পুরো সামরিক অভিযান সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।
হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সিচুয়েশন রুমে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত শীর্ষ কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে ঘটনাটির সময়কার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উদ্বিগ্ন ও মনোযোগী ভঙ্গিতে পরিস্থিতি মূল্যায়নের দৃশ্য দেখা গেছে।
হামলার পর স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১০টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ভাষণে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, “এখন ইরানের সামনে দুটি পথ—একটি হলো শান্তির দিকে অগ্রসর হওয়া, অন্যটি হলো এমন এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হওয়া যা গত ১০ দিনের ঘটনাকেও ছাড়িয়ে যাবে।”



