বিশ্ব ক্রিকেটে নারীদের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এখন প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা। ভারতের উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (WPL), অস্ট্রেলিয়ার উইমেন্স বিগ ব্যাশ এবং ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেডে মেয়েদের আলাদা টুর্নামেন্ট ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এবার সেই ধারায় যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশও। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়েদের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়েদের বিপিএলের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্লেয়ার্স ড্রাফট পদ্ধতিতে খেলোয়াড় বাছাই করবে দলগুলো, যেখানে দেশি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগও থাকবে।
নারীদের বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিবি পরিচালক রুবাবা দৌলা। তিনি জানান, তিনটি দল নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট মেয়েদের ক্রিকেটের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে। দলগুলো বিদেশি ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। তবে একজন দলে কতজন বিদেশি ক্রিকেটার নেওয়া যাবে এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি বাছাই প্রক্রিয়া কীভাবে হবে—এসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সব ম্যাচ জিতে সবার আগে বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে তারা। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় মেয়েদের বিপিএল আয়োজন দেশের নারী ক্রিকেটকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



