আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস আবারও ব্র্যাক ব্যাংককে দেশের সেরা ক্রেডিট রেটিং প্রদান করেছে। সংস্থাটি ব্র্যাক ব্যাংককে দীর্ঘমেয়াদে ‘বি+’ এবং ‘স্থিতিশীল’ আউটলুক দিয়েছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌম রেটিংয়ের সমতুল্য। টানা ৯ বছর ধরে এই স্বীকৃতি ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা, সুশাসন এবং টেকসই আর্থিক কাঠামোর প্রতিফলন বহন করে। রোববার (০৭ ডিসেম্বর) ব্র্যাক ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এসঅ্যান্ডপি’র ২৬ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ব্র্যাক ব্যাংক আর্থিক সক্ষমতা বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে। শক্তিশালী মুনাফা, আয় ধরে রাখার সক্ষমতা ও পরিমিত ঋণ প্রবৃদ্ধি আগামী দুই বছর ব্যাংকের রিস্ক অ্যাডজাস্টেড ক্যাপিটাল (RAC) রেশিও বজায় রাখতে সহায়তা করবে। সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে যে, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে ব্যাংকের স্থিতিশীল আর্থিক প্রোফাইল বজায় থাকবে এবং বর্তমান অস্থির পরিবেশেও ব্যাংকটি ইতিবাচক পথে অগ্রসর হতে পারবে।
প্রতিবেদনে ব্র্যাক ব্যাংকের নন-পারফর্মিং লোন (NPL) হার আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসে ৩.১% থেকে ৩.৫% এর মধ্যে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সুষম লোন পোর্টফোলিও ও প্রোঅ্যাকটিভ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ব্যাংকের অ্যাসেট কোয়ালিটি শক্তিশালী রাখতে ভূমিকা রাখবে।
রেটিং সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, এই স্বীকৃতি ব্র্যাক ব্যাংকের টেকসই মূলধন কাঠামো, সম্পদের মান, সুশাসন এবং শক্তিশালী তারল্য অবস্থানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তিনি এটিকে শুধু ব্যাংকের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্যও এক ইতিবাচক বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। সিইও গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, সহকর্মী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, এসঅ্যান্ডপি ছাড়াও ব্র্যাক ব্যাংক সিআরএবি থেকে ‘এএএ’ এবং মুডি’স থেকে ‘বি২’ রেটিং পেয়ে দেশের সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত ব্যাংক হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।



