বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর পালন করা হয় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস, যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—ডায়াবেটিস শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অসুস্থতা নয়, এটি একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট। বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসের হার দ্রুত বাড়ছে, এবং সচেতনতার অভাবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যেখানে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, তবে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতন জীবনধারা অনুসরণ করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপনে কিছু সহজ পরিবর্তন আনতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা:
সুষম খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত তেল, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করুন; পরিবর্তে তাজা শাকসবজি, ফল এবং সম্পূর্ণ শস্য খান।
নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে রোগটি সম্পর্কে সচেতন করা ও সুস্থ জীবনধারা গ্রহণে উৎসাহিত করা। বাংলাদেশের মতো দেশে ডায়াবেটিসের হার ক্রমাগত বাড়ছে, তাই সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক অভ্যাসই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।
আজকের এই দিনে আমরা প্রতিজ্ঞা করতে পারি—নিজের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেব, পরিবার ও সমাজে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেব। কারণ, সুস্থ জীবন মানেই সুখী জীবন।
আসুন সচেতন হই, সুস্থ থাকি।



