নারী ও কিশোরীদের প্রতি ডিজিটাল সহিংসতা বন্ধে “UNiTE to End Digital Violence against All Women and Girls” প্রতিপাদ্যে ১৬ দিনব্যাপী অ্যাক্টিভিজম কর্মসূচির সূচনা করেছে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ইউএনএফপিএ, ইউএন উইমেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অংশীজন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা—বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন স্টকিং, সাইবার হয়রানি, ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধ— নারীদের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে উঠছে।
এদিন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউএনএফপিএ যৌথভাবে প্রকাশিত ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন সার্ভে ২০২৪–এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। সমীক্ষা অনুযায়ী—
দেশের ৮.৩ শতাংশ নারী জীবনে কোনো না কোনোভাবে প্রযুক্তি–নির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার (TFGBV) শিকার হয়েছেন।
শুধু গত ১২ মাসেই ৫.২ শতাংশ নারী এসব সহিংসতার মুখোমুখি হয়েছেন।
অর্থাৎ মাত্র এক বছরেই প্রায় ৩৩ লাখ নারী ডিজিটাল সহিংসতার শিকার।
নারী ও কিশোরীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে—
ইউএনএফপিএ জানিয়েছে, তারা সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ডিজিটালসহ সব ধরনের জনপরিসরকে নিরাপদ করতে কাজ চালিয়ে যাবে। লক্ষ্য—প্রত্যেক নারী ও কিশোরী যাতে নির্ভয়ে শেখতে, কাজ করতে এবং নেতৃত্ব দিতে পারে।
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সাইবার জগতে বিদ্যমান ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং নারীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।



