বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সবার আগে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো আসরের নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নোয়াখালীকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে চট্টগ্রাম, আর পরাজয়ের হতাশা নিয়ে বিপিএল যাত্রা শেষ হলো নোয়াখালী এক্সপ্রেসের।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। নোয়াখালীর হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকার ও হাসান ইসাখিল ৩৪ রানের সূচনা দিলেও শুরুটা ধরে রাখতে পারেনি দলটি। সৌম্য ৮ বলে ১৪ রান করে আউট হন এবং পাওয়ারপ্লের শেষ বলে ২০ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন হাসান। পাওয়ারপ্লে শেষে ৪৯ রানে দুই উইকেট হারায় নোয়াখালী। এরপর জাকের আলী অনিক কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও এক প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতনে চাপে পড়ে দলটি। জাকের ২২ বলে ২৩ রান করে থামেন ৮৬ রানে। অধিনায়ক হায়দার আলী, হাবিবুর রহমান সোহান ও মুনিম শাহরিয়ারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি। শেষ দিকে সাব্বির হোসেনের ১৯ বলে ২২ রানের ইনিংসে ভর করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস থামে ১২৬ রানে।
চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। এ ছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ৩টি এবং আমের জামাল ১টি উইকেট শিকার করেন।
১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ৪৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় তারা। তবে এরপর অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও আসিফ আলীর দৃঢ় জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় চট্টগ্রাম। ধীরে-সুস্থে এগিয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান দুজন। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন শেখ মেহেদী এবং ৩০ বলে ৩৬ রান করেন আসিফ আলী। ১৮ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
নোয়াখালীর হয়ে বল হাতে ইহসানউল্লাহ ২টি উইকেট নেন। এছাড়া হাসান মাহমুদ, জাহির খান ও সাব্বির হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন। তবে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন চট্টগ্রামের শরিফুল ইসলাম।



