চট্টগ্রাম রয়্যালস প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে পৌঁছেছে। রাজশাহীর দেওয়া ১৩৪ রানের লক্ষ্য চট্টগ্রাম মাত্র ৩ বল হাতে রেখে অর্জন করে। ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রানের ইনিংসে ফাইনালে চট্টগ্রামকে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। বল হাতে তিনি দুটি উইকেটও নেন।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। পাওয়ার প্লেতে তারা মাত্র ৩৭ রান তুলতে পারে। একাই লড়াই করেন তানজিদ হাসান তামিম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস রাজশাহীকে ১৩৩ রানে অলআউট হওয়ার পর্যন্ত টেনে নিয়ে আসে। চট্টগ্রামের জন্য বল হাতে সর্বোচ্চ উইকেট নেন শেখ মেহেদী ও আমের জামাল, এছাড়া শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম, তানভীর ইসলাম, মির্জা বেগ ও হাসান নাওয়াজ একেকটি করে উইকেট নেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতিতে শুরু হলেও ওপেনিং জুটিতে মির্জা বেগ এবং কোটি টাকার নাঈম শেখ ৬৪ রান যোগ করেন। চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন মির্জা বেগ। হাছান নওয়াজ ২০ এবং আসিফ আলি ১১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক মেহেদীর নেতৃত্বে জয় তুলে চট্টগ্রাম ফাইনালে উঠে যায়। রাজশাহী এখনও বাদ পড়েনি এবং আগামীকাল সিলেটের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে।
একই সময়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান সাফ পুরুষ ফুটসাল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে। প্রথমার্ধেই ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ, যেখানে দুটি গোল করেন অধিনায়ক রাহবার খান। বিরতির পর বাংলাদেশ আরও আক্রমণাত্মক হয় এবং তিনবার আরও গোল করে। তৃতীয় গোলের প্রস্তুতি দেন রাহবার, যেখানে পোস্টের সামনে গোলটি সম্পন্ন করেন মঈন। খেলার শেষ পাঁচ মিনিটে আরও দুইটি গোল করে বড় জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
সাফ পুরুষ ফুটসালে মোট সাতটি দেশ অংশগ্রহণ করছে। প্রতিটি দল ছয়টি করে ম্যাচ খেলবে এবং ছয় ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা দল চ্যাম্পিয়ন হবে। বাংলাদেশ পুরুষ দল চার ম্যাচে দুটি জয়, একটি হার ও একটি ড্র করেছে। অন্যদিকে, নারী দল এখনো অপরাজিত; তিন ম্যাচে দুটি জয় ও একটি ড্র করেছে। আগামীকাল নারী দল শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।



