ডিজিটাল মানসিক স্বাস্থ্য উদ্ভাবক এবং বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এম. তাসদিক হাসান (তাসদিক দীপ) তার মেধা ও শিক্ষকতার স্বীকৃতিস্বরূপ অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে এক অনন্য সম্মাননা অর্জন করেছেন। মোনাশ গ্র্যাজুয়েট অ্যাসোসিয়েশন (MGA) তাকে ‘সুপারভাইজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৫’ (Supervisor of the Year 2025) পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। বিশ্বের খ্যাতনামা সব অধ্যাপক ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের তালিকায় একজন তরুণ গবেষক ও শিক্ষক হিসেবে তার এই মনোনয়ন বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের বিষয়।
বর্তমানে মোনাশ ইউনিভার্সিটির তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদে পিএইচডি গবেষক হিসেবে কর্মরত ড. হাসান তার ফেসবুক বার্তায় এই অর্জনের কথা জানান। তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে উল্লেখ করেন যে, প্রথিতযশা শিক্ষকদের সাথে এই মনোনয়ন পাওয়া তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। যদিও চূড়ান্ত পুরস্কারটি অর্জন করেছেন তার সহকর্মী ড. ই-শান সাই (Dr. Yi-Shan Tsai), তবুও এই স্বীকৃতি তার দীর্ঘদিনের মেন্টরশিপ ও একাডেমিক নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।
ড. তাসদিক হাসান দীর্ঘদিন ধরে জনস্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধনে কাজ করছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের শ্রবণপ্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জন্য ‘বাংলা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাংক’ এবং ডিজিটাল মেন্টাল হেলথ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরিতে তার অবদান বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। ২০২৪ সালে তিনি ‘ডিজিটাল মেন্টাল হেলথ লিডারশিপ এক্সিলেন্স’ পুরস্কার লাভ করেন এবং ২০২৫ সালের ‘স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড’-এর ফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে তিনি গবেষণার পাশাপাশি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তরুণ গবেষকদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।



