২০২৫ সালে বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। অপূর্ব, নিশো, মেহজাবীন বা তাসনিয়া ফারিণের মতো প্রতিষ্ঠিত শীর্ষ তারকারা ওটিটি (OTT) এবং সিনেমায় ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ছোট পর্দার রাজত্ব ছিল মূলত তরুণ প্রজন্মের অভিনেতাদের দখলে। মানসম্মত গল্প আর বৈচিত্র্যময় চরিত্রের মাধ্যমে এ বছর দর্শকনন্দিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান অভিনেতা। সামগ্রিক বিচারে ২০২৫ সালের নাটকের দুনিয়ায় আলোচিত সেরা ৭ অভিনেতাকে নিয়ে এই ফিরে দেখা।
এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন ইয়াশ রোহান, যিনি ‘ক্ষতিপূরণ’ ও ‘শালিক বালিকা’র মতো নাটকে অভিনয় করে বৈচিত্র্যময় অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন। অন্যদিকে, নাটকের সংখ্যা কমিয়ে মানের দিকে নজর দিয়েছেন তৌসিফ মাহবুব; ‘খোয়াবনামা’ ও ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ সিজন ৫-এ তাঁর প্রত্যাবর্তন ছিল বছরের অন্যতম চর্চিত বিষয়। তাঁর সমান্তরালেই উজ্জ্বল ছিলেন ফারহান আহমেদ জোভান, যার ‘আশিকী’ ও ‘বান্টির বিয়ে’র মতো নাটকগুলো দর্শকরা দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। বাণিজ্যিক সাফল্য ও ইউটিউব ভিউয়ের দৌড়ে যথারীতি শীর্ষে ছিলেন নিলয় আলমগীর। মূলত গ্রামীণ প্রেক্ষাপট ও কমেডি ঘরানার নাটকের মাধ্যমে তিনি সাধারণ দর্শকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বর স্থানটি ধরে রেখেছেন।
অন্যদিকে, ভার্সেটাইল অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান সংখ্যায় কম কাজ করলেও ‘হ্যালো গায়েজ’-এর মতো সমসাময়িক গল্পের নাটকে জীবনঘনিষ্ঠ অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ওটিটিতে ব্যস্ততার মাঝেও জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ‘মন দুয়ারি’র মতো কিছু ক্ল্যাসিক নাটকে অভিনয় করে নিজের জনপ্রিয়তা জানান দিয়েছেন। এছাড়া মেধাবী অভিনেতা খায়রুল বাশার ‘মন জানালা’ ও ‘শেষ প্রান্তে’র মতো গল্পের নাটকে তাঁর অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। একই সাথে এ বছর সম্ভাবনাময় অভিনেতা হিসেবে নিজেদের জানান দিয়েছেন পার্থ শেখ ও প্রান্তর দস্তিদার। সব মিলিয়ে ২০২৫ সালটি ছিল তারুণ্যের জয়গানের বছর।



