আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অতি পরিচিত কাঁচা মরিচ কেবল স্বাদের জন্যই নয়, বরং এর অসাধারণ পুষ্টিগুণের জন্যও সমাদৃত। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬ এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান যেমন আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম। কাঁচা মরিচে থাকা ‘ক্যাপসাইসিন’ নামক উপাদানটি শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা-ক্যারোটিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এমনকি মাইগ্রেন বা আর্থ্রাইটিসের ব্যথা উপশমেও এটি বেশ উপকারী।
তবে পরিমিত পরিমাণ ছাড়িয়ে অতিরিক্ত কাঁচা মরিচ খেলে শরীরের ওপর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও পড়তে পারে। বেশি পরিমাণে মরিচ খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে গিয়ে বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ঝালের কারণে শরীরে বেশি ঘাম হওয়া, পানিশূন্যতা এবং মুখ বা গলায় জ্বালাভাব হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে সেনসিটিভ ত্বক হলে মরিচের সংস্পর্শে চুলকানি বা প্রদাহ হতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য কাঁচা মরিচ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো, তবে তা অবশ্যই হতে হবে পরিমিত পরিমাণে।



