হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার বেন কারান এবং ব্রায়ান বেনেট শুরুটা ভালো করেছিলেন। দেখেশুনে এগিয়েছেন তারা, ব্যাট চালিয়ে রানও বের করেছেন। তবে দলের ৩৬ রানের মাথায় ভাঙে ওপেনিং জুটি। ১৯ বলে ১৮ রান করা কারান রানআউট হলে একই ওভারে বেনেটও সাজঘরে ফিরে যান। ২৪ বলে ১৭ রান করা বেনেটকে ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
সেট দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। চারে নামা ক্রেইগ আরভিন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক—তাকেও ফেরান তাসকিন। এরপর জিম্বাবুয়ের দুর্গে হানা দেন নাহিদ রানা। তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে উইকেটের খাতা খোলেন রানা। ১২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান রাজা।
এরপর থেকে নিজের প্রতি ওভারেই উইকেট শিকার করেছেন নাহিদ রানা। একে একে বিদায় করেছেন ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লিভ মাদান্দে, ইনোসেন্ট কাইয়া এবং ব্র্যাড ইভান্সকে। কাইয়া এবং ইভান্সকে ফেরান একই ওভারে। তিনে নামা কাইয়া লড়াকু ব্যাটিংয়ে খেলেছেন ৩৯ বলে ২৬ রানের ইনিংস।
৭০ রানের মধ্যেই ৮ উইকেট হারিয়ে একশ রানের আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল জিম্বাবুয়ের। যদিও তা হয়নি। ৯ম উইকেটে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা এবং নিউম্যান নিয়ামহুরির জুটির সুবাদে ১০০ পার করে জিম্বাবুয়ে। চাপের মুখে দারুণ লড়াকু ব্যাটিংয়ে দলকে টেনেছেন দুই টেইলএন্ডার। সময়ের সাথে সাথে বড় হয়েছে তাদের জুটি, টাইগার বোলাররা কোনোভাবেই ভাঙতে পারছিলেন না।
অবশেষে সেই জুটি ভেঙেছেন নাহিদ রানাই। ৪১ বলে ২৭ রান করা এনগারাভাকে বোল্ড করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৪১ রান করে থেমেছে জিম্বাবুয়ে। নিয়ামহুরি অপরাজিত থাকেন ৫১ বলে ৩৩ রান করে—তাকে ফিরিয়েছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের হয়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন নাহিদ রানা। ২ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ এবং ১ উইকেট তোলেন মিরাজ।



