আগামীতে বাংলা নববর্ষ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আঞ্চলিকভাবে উদযাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইরানের নববর্ষ নওরোজ অনেক দেশে একসঙ্গে উদযাপিত হয়, বাংলা নববর্ষ নিয়েও তেমনি আঞ্চলিক উদযাপন সম্ভব কিনা আগামী বছর তা খতিয়ে দেখা হবে। এটি এক ধরনের সাংস্কৃতিক কূটনীতি (কালচারাল ডিপ্লোম্যাসি) তৈরি করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী এই উৎসবকে গুরুত্ব দিচ্ছেন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা সবরকম জাতিগোষ্ঠীকে একত্র করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের কথা বলি, এই উৎসবটা সবাইকে চমৎকারভাবে মানিয়ে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ এপ্রিল শুধু বাংলাদেশের নয়, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং ভারতের একটি অংশেরও নববর্ষ। এ জন্য আগামী উৎসবে আঞ্চলিকভাবে পালন উপযোগী কিনা তা যাচাই করতে প্রতিবেশী দেশ ভারত, ভুটান, মিয়ানমারসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, এবারের বৈশাখী উৎসব অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও আনন্দমুখর হয়েছে, যদিও অনেকেই আশঙ্কা দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, বৈশাখকে কেন্দ্র করে শুধু ৩-৪ দিন নয়, মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি ও উৎসব চালু করতে।
আসন্ন ঈদে নতুন বাস ভাড়া কার্যকর হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন ভাড়া যৌক্তিকভাবে বাড়ানোর আলোচনা চলছে। প্রয়োজনে এসি বাসের ভাড়া দুই বা তিনটি স্তরে নির্ধারণ করা হবে। জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও তা যাতে অযৌক্তিক না হয়, সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে। এছাড়া জ্বালানি তেলের বর্তমান চাহিদা অবৈধ মজুদ ও পাচারের কারণে সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীর বাসস্ট্যান্ডগুলোর মানোন্নয়নে সিটি কর্পোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



