বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম লেখকদের অন্যতম, নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিনটি উপলক্ষে গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে মিলাদ মাহফিল, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রিয় লেখকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে ভিড় করেন অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগী। ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তারা স্মরণ করেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এই উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।
এদিকে, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে হুমায়ূন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে তার মৃত্যুবার্ষিকী। কালো ব্যাজ ধারণ, পবিত্র কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল এবং স্মরণসভাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবে বিকেলে আয়োজন করা হয়েছে ‘হিমু পাঠক আড্ডা’ শীর্ষক একটি স্মরণকথন অনুষ্ঠান। সেখানে লেখকের সাহিত্যকর্ম, জীবনদর্শন এবং বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদান নিয়ে আলোচনা করবেন সাহিত্যপ্রেমী ও পাঠকরা।
১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। উপন্যাস, নাটক, চলচ্চিত্র এবং শিশুতোষ সাহিত্যে তার অসামান্য অবদান বাংলা ভাষার পাঠকদের হৃদয়ে তাকে অমর করে রেখেছে। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তবে তার সৃষ্টি করা হিমু, মিসির আলী, শুভ্রসহ অসংখ্য চরিত্র এবং অনবদ্য সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে তিনি আজও কোটি পাঠকের হৃদয়ে জীবন্ত হয়ে আছেন।



